ঢাকা, , ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ডেসটিনি আমিনের মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ

টাইমসনিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Tuesday,07 August 18 03:24:31

সম্পদের তথ্য বিবরণী জমা না দেওয়ায় দুদকের মামলা বাতিল চেয়ে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিনের করা আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে হাই কোর্ট। 

আবেদনটির শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ তা খারিজ করে দেয়।

রফিকুল আমিনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম মোইনুল ইসলাম। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।  রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোনা নাহরিন এবং এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক শুনানিতে ছিলেন।

এ আদেশের ফলে বিচারিক আদালতে মামলাটি যথারীতি চলবে বলে সাংবাদিকদের জানান দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

পরে আমিন উদ্দিন মানিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, নোটিস দেওয়ার পরও ১৮ কোটি ২ লাখ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকার সম্পদের তথ্য বিবরণী জমা না দেওয়ায় ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় রফিকুল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

দুদকের তৎকালীণ সহকারী পরিচালক মুহাম্মাদ মোয়াজ্জেম হোসেন দুদক আইনের ২৬(২) ধারায় এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৬ জুন অভিযোগপত্র দেওয়া হলে রফিকুল আমিন মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।

কিন্তু ঢাকার বিশেষ জজ শামীম আহমেদ গত ১২ মার্চ আবেদনটি নামঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। পরে ৭ জুলাই মামলা বাতিল চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেন রফিকুল আমিন।

মামলার নথি অনুযায়ী, রফিকুল আমিনের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ১৮ কোটি ২ লাখ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকার সম্পদের তথ্য চেয়ে ২০১৬ সালের ১৬ জুন নোটিস দেয় দুদক। সাত দিনের মধ্যে তাকে তথ্য বিবরণী জমা দিতে বলা হয়।

কারাবন্দি রফিকুল আমিন সময়ের আবেদন করলে তাকে আরও সাত দিন সময় দেওয়া হয়। এরপরও সম্পদের তথ্য বিবরণী না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।আবেদনটির শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ তা খারিজ করে দেয়।

রফিকুল আমিনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম মোইনুল ইসলাম। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।  রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোনা নাহরিন এবং এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক শুনানিতে ছিলেন।

এ আদেশের ফলে বিচারিক আদালতে মামলাটি যথারীতি চলবে বলে সাংবাদিকদের জানান দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

পরে আমিন উদ্দিন মানিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, নোটিস দেওয়ার পরও ১৮ কোটি ২ লাখ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকার সম্পদের তথ্য বিবরণী জমা না দেওয়ায় ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় রফিকুল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

দুদকের তৎকালীণ সহকারী পরিচালক মুহাম্মাদ মোয়াজ্জেম হোসেন দুদক আইনের ২৬(২) ধারায় এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৬ জুন অভিযোগপত্র দেওয়া হলে রফিকুল আমিন মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।

কিন্তু ঢাকার বিশেষ জজ শামীম আহমেদ গত ১২ মার্চ আবেদনটি নামঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। পরে ৭ জুলাই মামলা বাতিল চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেন রফিকুল আমিন।

মামলার নথি অনুযায়ী, রফিকুল আমিনের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ১৮ কোটি ২ লাখ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকার সম্পদের তথ্য চেয়ে ২০১৬ সালের ১৬ জুন নোটিস দেয় দুদক। সাত দিনের মধ্যে তাকে তথ্য বিবরণী জমা দিতে বলা হয়।

কারাবন্দি রফিকুল আমিন সময়ের আবেদন করলে তাকে আরও সাত দিন সময় দেওয়া হয়। এরপরও সম্পদের তথ্য বিবরণী না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।আবেদনটির শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ তা খারিজ করে দেয়।

রফিকুল আমিনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম মোইনুল ইসলাম। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।  রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোনা নাহরিন এবং এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক শুনানিতে ছিলেন।

এ আদেশের ফলে বিচারিক আদালতে মামলাটি যথারীতি চলবে বলে সাংবাদিকদের জানান দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

পরে আমিন উদ্দিন মানিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, নোটিস দেওয়ার পরও ১৮ কোটি ২ লাখ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকার সম্পদের তথ্য বিবরণী জমা না দেওয়ায় ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় রফিকুল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

দুদকের তৎকালীণ সহকারী পরিচালক মুহাম্মাদ মোয়াজ্জেম হোসেন দুদক আইনের ২৬(২) ধারায় এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৬ জুন অভিযোগপত্র দেওয়া হলে রফিকুল আমিন মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।

কিন্তু ঢাকার বিশেষ জজ শামীম আহমেদ গত ১২ মার্চ আবেদনটি নামঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। পরে ৭ জুলাই মামলা বাতিল চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেন রফিকুল আমিন।

মামলার নথি অনুযায়ী, রফিকুল আমিনের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ১৮ কোটি ২ লাখ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকার সম্পদের তথ্য চেয়ে ২০১৬ সালের ১৬ জুন নোটিস দেয় দুদক। সাত দিনের মধ্যে তাকে তথ্য বিবরণী জমা দিতে বলা হয়।

কারাবন্দি রফিকুল আমিন সময়ের আবেদন করলে তাকে আরও সাত দিন সময় দেওয়া হয়। এরপরও সম্পদের তথ্য বিবরণী না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

পাঠকের মন্তব্য