ঢাকা, , ২৯ নভেম্বর, ২০২০

যুবলীগ নেতা ফরিদুল ইসলাম হত্যার নায়ক খুনি বাদশা

টাইমসনিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Monday,07 May 18 01:56:34

ডিস ব্যবসায়ি ও যুবলীগ নেতা ফরিদুল ইসলাম হত্যার নেপথে খুনি নগরীর ডিসি রোডের কালাম কলোনীতে ক্যাবল ব্যবসায়ি যুবদল নেতা এমদাদুল হক বাদশা জড়িত বলে আভিযোগ করেছেন। গত শনিবার চট্রগ্রাম প্রেস ক্লাব এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

 

এক লিখিত বক্তবে ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ালী লীগের যুগ্ন সম্পাদক  জাফর আহমদ বলেন, অন্যায়ভাবে মুছাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের আসামি করা হয়েছে।

 

এলাকার  মানুষ জানে, দীর্ঘদিন ধরে ফরিদের সাথে বাদশার ডিস ব্যবসা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। বাদশা ও তার ভাই দলবল নিয়ে ফরিদকে খুন করে যা এলাকার লোক দেখেছে। সেই সাথে  কিছু সিসিটিভির ভিডিও তে দেখা যায়।সিসিটিভিতে আর দেখা যা বাদশার লোকজন দারালো অস্র ও বন্দুক হাতে মহড়া ও গুলি করতে দেখা যায়।

 

এই খুনের সাথে মুসা, ফয়সাল ও রাসেল সহ কেউ যুক্তনেই, কিন্তু উদ্দেশ্যহীনভাবে তাদের এই মামলায় ফাঁসানো হয়।ঘটনাস্থলে তারা উপস্থিত ছিলনা।মূলত বিএনপির ক্যাডার ইমদাদুল হক বাদশা নিজে খুন করে তাদের উপর  ফরিদের পরিবার দিয়ে মামলা ছাপিয়ে দেয়।

 

গোপন সুত্রে  আরো জানা যায়, ফরিদ ডিস ব্যবসার কিছুলাইন নিজের বলে সে বাদশার কাছে দাবি জানায় এর পর থেকে তাদের মধ্যে মনমানিন্য হয়। এর কিছু দিন পর ফরিদকে খুন হতে হয়। এই বিএনপির ক্যাডার ইমদাদুল হক বাদশা খুন ডাকাতিসহ অনেক মামলার আসামি। বর্তমানে ২৮(২)১৮ মামলায় তার এরেষ্ট ওয়ারেন্ট রয়েছে।

 

আওয়ামী লীগ নেতা মুসা, ফয়সাল ও রাসেল সহ সকলের নিশতে মুক্তি দাবি করেছেন ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ালী লীগের যুগ্ন সম্পাদক  জাফর আহমদ ও তাদের  পরিবার। তারা আরো বলেন, বাদশার ডিস ব্যবসার নামে নানা কুকর্মের বাধা  দেয়াতে মুসা, ফয়সাল ও রাসেল সহ তাদের উপর ব্যাক্তিগত ক্ষোভ তোলার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করে এই মামলায় ফাঁসানো হয়।

 

 

উল্লেখ্য গত ২৭ এপ্রিল শুক্রবার ক্যাবল ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় স্থানীয় যুবলীগ নেতা ফরিদুল ইসলাম।

 

পাঠকের মন্তব্য