ঢাকা, , ২ ডিসেম্বর, ২০২০

নাইক্ষ্যংছড়িতে চার বাঙালি অপহরণ

টাইমসনিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Saturday,20 January 18 05:54:13

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দূর্গম পাহাড়ী জনপদ দোছড়ি ইউনিয়নে বাকঁখালী লদুর মুখ (লংগদু) থেকে ৪ জন বাঙালী কৃষক অপহরণ করা হয়েছে। অপহৃতরা হল- গর্জনিয়া পূর্ব বোমাংখীলের আলী মদনের ছেলে আবু ছৈয়দ, থোয়াঙ্গীরকাটার নুরুল আলমের ছেলে আবদুল আজিজ, আবদুর রহমানের ছেলে মোঃ রহিম এবং থিমছড়ির রশিদ আহমদের ছেলে শাহ আলম। শনিবার (২০ জানুয়ারী) ভোরে খামার বাড়ি থেকে তাদের অপহরণ করে নিয়ে যায় পাহাড়ী স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা


স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, তারা দীর্ঘ দিন ধরে লদুর মুখ এলাকায় চাষাবাদ করে আসছেন। বিগত কয়েক বছর ধরে সেখানে পাহাড়ী স্বশস্ত্র গোষ্ঠী তৎপরতা চালাচ্ছে। নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা না দিলে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। এছাড়াও বাঙ্গালী ডাকাতদল ও সেখানে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানা যায়।


অপহৃতদের উদ্ধারে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছে একালাবাসী। সেই সাথে ওই এলাকায় নিয়মিত সেনাবাহিনীর টহল জোরার করার দাবি জানায় তারা। অন্যথায় পাহাড়ি জনপদে আবারও আইন শৃংখলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।


এদিকে অপহরনের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি অভিযানে নেমেছে বলে একটি সুত্রে জানা গেছে। প্রশাসন উদ্ধারে তৎপরতা চালাচ্ছে। নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

">

মুজিবুর রহমান, সংবাদদাতা::


নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দূর্গম পাহাড়ী জনপদ দোছড়ি ইউনিয়নে বাকঁখালী লদুর মুখ (লংগদু) থেকে ৪ জন বাঙালী কৃষক অপহরণ করা হয়েছে। অপহৃতরা হল- গর্জনিয়া পূর্ব বোমাংখীলের আলী মদনের ছেলে আবু ছৈয়দ, থোয়াঙ্গীরকাটার নুরুল আলমের ছেলে আবদুল আজিজ, আবদুর রহমানের ছেলে মোঃ রহিম এবং থিমছড়ির রশিদ আহমদের ছেলে শাহ আলম। শনিবার (২০ জানুয়ারী) ভোরে খামার বাড়ি থেকে তাদের অপহরণ করে নিয়ে যায় পাহাড়ী স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।


স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, তারা দীর্ঘ দিন ধরে লদুর মুখ এলাকায় চাষাবাদ করে আসছেন। বিগত কয়েক বছর ধরে সেখানে পাহাড়ী স্বশস্ত্র গোষ্ঠী তৎপরতা চালাচ্ছে। নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা না দিলে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। এছাড়াও বাঙ্গালী ডাকাতদল ও সেখানে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানা যায়।


অপহৃতদের উদ্ধারে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছে একালাবাসী। সেই সাথে ওই এলাকায় নিয়মিত সেনাবাহিনীর টহল জোরার করার দাবি জানায় তারা। অন্যথায় পাহাড়ি জনপদে আবারও আইন শৃংখলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।


এদিকে অপহরনের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি অভিযানে নেমেছে বলে একটি সুত্রে জানা গেছে। প্রশাসন উদ্ধারে তৎপরতা চালাচ্ছে। নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পাঠকের মন্তব্য