ঢাকা, , ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

আদনান খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র দিয়েছিল ছাত্রলীগ নেতা এনাম

টাইমসনিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Saturday,20 January 18 12:51:27

স্কুলছাত্র আদনান ইসফার (১৫) খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া পাঁচ কিশোর হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।  খুনের সঙ্গে জিলহাজ্ব নামে আরও একজন জড়িত থাকার তথ্যও তাদের জবানবন্দিতে এসেছে।  খুনের সময় যে পিস্তলটি প্রদর্শিত হয়েছে সেটি মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা এনাম হোসেন দিয়েছিল।

 

    শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু ছালেম মোহাম্মদ নোমান পাঁচ আসামির ১৬৪ ধারার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

 

    আদালত সূত্রে ‍জানা গেছে, জবানবন্দিতে পাঁচ কিশোর জানিয়েছেন, আদনানের সঙ্গে তাদের কোন বিরোধ ছিল না।  দুজন ‘ছোট ভাই’ এসে তাদের উপর হামলার কথা উল্লেখ করে সাহায্য চাওয়ায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

 

    এছাড়া জবানবন্দিতে পাঁচ কিশোরই ঘটনার পুরো বর্ণনা দিয়েছেন।  এতে জিলহাজ্ব নামে আরও একজন জড়িত থাকার কথা বলেছে।

 

    পাঁচ কিশোরের একজন সাব্বির খানের হাতে হত্যাকাণ্ডের সময় পিস্তল দেখা গেছে ভিডিও ফুটেজে।  সাব্বির জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, সেই পিস্তল এনাম তাকে দিয়েছেন।

 

    সাব্বিরের জবানিতে আসা এই এনাম হোসেন সরকারী হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।  তার বাড়ি রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নে।  স্থানীয়ভাবে চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রউফের অনুসারী।  নিজেকে মহসিন কলেজে ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দেন এনাম।

 

    আদনানকে হত্যার পর ছাত্রলীগ নেতার বাসায় আশ্রয় নেয় খুনিরা

 

    নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি-দক্ষিণ) শাহ মো.আব্দুর রউফ বলেন, গ্রেফতার হওয়া পাঁচজনই আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।  বাকি যাদের নাম এসেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ভিডিও ফুটেজে যেভাবে হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য দেখা গেছে সেভাবেই জবানবন্দিতে বর্ণনা এসেছে।  জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

 

    জবানবন্দি দেওয়া পাঁচ কিশোর হলেন, নগরীর চান্দগাঁওয়ের হাজেরা তজু কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র মঈন খাঁন, সাব্বির খান ও মুনতাছির মোস্তফা, চকবাজার ডিসি রোডের হলি ফ্লাওয়ার স্কুল থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী এখলাছ উদ্দীন আরমান এবং ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজ থেকে সদ্য এইচএসসি পাস করা আবদুল্লাহ আল

পাঠকের মন্তব্য