ঢাকা, , ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

৫৩ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি

Sunday,15 May 16 07:50:43

ঢাকা : এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৫৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাদরাসা বোর্ডের ৩৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া আটটি সাধারণ বোর্ডে ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি। তবে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে শতভাগ অনুত্তীর্ণ কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। 

 

অবশ্য এ হার গত বছরের থেকে বেড়েছে। ওই বছর ৪৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এর মধ্যে ৮টি সাধারণ বোর্ডে ৯টি ও মাদরাসা বোর্ডে ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল। বুধবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ তথ্য জানান। মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অর্ধীন এবারের দাখিল (এসএসসি সমমান) পরীক্ষায় অংশ নেয় ৯ হাজার ১২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যার মধ্যে ৩৭টি থেকে কোনো ছাত্র বা ছাত্রী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। 

 

ঢাকা শিক্ষাবোর্ড থেকে ৪ হাজার ২৯৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটিতে কেউ পাস করেনি। যশোর বোর্ডের ২ হাজার ৪৮২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি এবং কুমিল্লায় ১ হাজার ৬৭১ এর মধ্যে তিনটি; বরিশালে ১ হাজার ৩৯০, রাজশাহীতে ২ হাজার ২১৩ এবং দিনাজপুর বোর্ডের ২ হাজার ৫৬৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুইটি করে মোট ছয়টিতে কেউ পাস করেনি।

সিলেট বোর্ড থেকে ৮৫৪ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটিতে কেউ পাস করেনি। অবশ্য চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে শতভাগ অনুত্তীর্ণ কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই।কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২ হাজার ১১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবারের পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৯টি প্রতিষ্ঠানে ১০ শতাংশ কিংবা তার কম পাস করলেও ১০০ ভাগ অনুত্তীর্ণ হওয়া কোনো প্রতিষ্ঠান নেই।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমাদের কমিটি গঠন করা আছে। তারা তদন্ত করে দেখবেন, কি কারণে কেউ পাস করেনি। তাদের সমস্যা কোন জায়গায়।’

যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করা হবে কী? এমন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বন্ধ করে দেয়াটা ঠিক হবে না, আমাদের জানতে হবে আসলে কি কারণে বার বার ফেল করছে। আমাদের কমিটি খতিয়ে দেখবে, সমস্যাগুলো কোথায়।’

চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল- অবশেষে রেলওয়ের ৩২ কোটি টাকার জমি গিফট দেয়া হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা শফীকে। হাটহাজারী মাদরাসার নামে দু’বছর আগেই জায়গাটিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি আল্লামা শফীর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে সরকারের একটি পক্ষ জায়গাটি তার জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বশেষ রেলওয়ের জায়গাটি নিজেদের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন আল্লামা শফী। - See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/31170#sthash.uVZVFcyH.dpuf
চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল- অবশেষে রেলওয়ের ৩২ কোটি টাকার জমি গিফট দেয়া হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা শফীকে। হাটহাজারী মাদরাসার নামে দু’বছর আগেই জায়গাটিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি আল্লামা শফীর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে সরকারের একটি পক্ষ জায়গাটি তার জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বশেষ রেলওয়ের জায়গাটি নিজেদের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন আল্লামা শফী। - See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/31170#sthash.uVZVFcyH.dpuf

চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল- অবশেষে রেলওয়ের ৩২ কোটি টাকার জমি গিফট দেয়া হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা শফীকে। হাটহাজারী মাদরাসার নামে দু’বছর আগেই জায়গাটিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি আল্লামা শফীর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে সরকারের একটি পক্ষ জায়গাটি তার জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বশেষ রেলওয়ের জায়গাটি নিজেদের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন আল্লামা শফী।

সরজমিন হাটহাজারী মাদরাসার অদূরে স্টেশনের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে গিয়ে দেখা যায়, ৩০০-র বেশি খুঁটি দিয়ে রেলের ১৬০ কাঠা জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে হাটহাজারী মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তাতে লেখা হয়েছে ‘লিজ সূত্রে এ জমির দখলদার মালিক হাটহাজারী বড় মাদরাসা’।

অন্যদিকে রেলের মালিকানাধীন পুকুরে সাইনবোর্ডে লেখা হয়েছে ‘মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে এ পুকুর ও স্টেশন এলাকার উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিম পাশের ২.৬৪ একর (১৬০ কাঠা) কৃষি জমি ও পুকুর দখলদার মালিক দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা’।

স্থানীয় সূত্র মতে, এই জায়গার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩২ কোটি টাকা। হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ আহমদ শফী হাটহাজারী মাদরাসার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের একটি সূত্র জানায়, জমি দেয়ার বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে হেফাজতকে জমি দেয়ার ব্যাপারে সরকারের উপর থেকে চাপ আছে। এই বিষয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই মামলা প্রত্যাহার ও জমি দেয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

অথচ এর আগে ২০১২ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি রেল মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব আশরাফুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিজমা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী আল্লামা শাহ আহমদ শফীর আবেদনটি বিবেচনা করার কোন সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে বিষয়টি আপনাকে অবহিত করা হলো।

এ বিষয়ে পূর্বাঞ্চল রেলের প্রধান ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা কামরুল আমিন আবেদন করার  সত্যতা তুলে ধরে বলেন, ‘শফী হুজুর বছর দুই এক আগে জায়গা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে তাকে লিজ দেয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোন ধরনের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় পুকুর-জমি সবই অবৈধভাবে দখল করে আছে হাটহাজারী মাদ্রাসার লোকজন।’

অন্যদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক বলেন, ‘হাটহাজারী মাদরাসার নামে ওই জায়গা বরাদ্দ আছে। এখন বিষয়টি তদারকের জন্য মাদরাসার একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একটি মহল হেফাজতের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা নানাভাবে হেফাজতের বদনাম করছে।’

সরকারের আস্থাভাজন হওয়ার পর এই জায়গা নিয়ে নমনীয়ভাব পোষণ করছে সরকার-এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আল্লামা শফীকে সরকার ভয় পায়। সরকারের সঙ্গে কোন ধরনের আঁতাত করছেন না তিনি। অনেকে বলেন শফী হুজুরের প্রতি সরকারের মনোভাব ঠাণ্ডা। আর তাই তিনি কোন কর্মসূচি দিচ্ছেন না। বিষয়টি সত্যি নয়। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। কোন প্রলোভনে গলবে না হেফাজত।’

‘সরকারের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। নেই কোন শত্রুতা। তারা আমাদের ভুল বুঝলে আমরা কষ্ট পাবো। এখানে ভুল বোঝাবুঝি হোক তা আমরা চাই না। ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।’ হেফাজতে ইসলামের প্রধান আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর এমন বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের লালদিঘীতে অনুষ্ঠিত দলের দু’দিন ব্যাপী রেসালত সম্মেলনে ভোল পাল্টে নিজেদের সঙ্গে সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে বলে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন এই নেতা।

অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে শ’ শ’ আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ তার বক্তব্য শুনে হতভম্ব হয়ে যান। তাদের মাঝে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/31170#sthash.uVZVFcyH.dpuf

চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল- অবশেষে রেলওয়ের ৩২ কোটি টাকার জমি গিফট দেয়া হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা শফীকে। হাটহাজারী মাদরাসার নামে দু’বছর আগেই জায়গাটিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি আল্লামা শফীর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে সরকারের একটি পক্ষ জায়গাটি তার জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বশেষ রেলওয়ের জায়গাটি নিজেদের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন আল্লামা শফী।

সরজমিন হাটহাজারী মাদরাসার অদূরে স্টেশনের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে গিয়ে দেখা যায়, ৩০০-র বেশি খুঁটি দিয়ে রেলের ১৬০ কাঠা জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে হাটহাজারী মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তাতে লেখা হয়েছে ‘লিজ সূত্রে এ জমির দখলদার মালিক হাটহাজারী বড় মাদরাসা’।

অন্যদিকে রেলের মালিকানাধীন পুকুরে সাইনবোর্ডে লেখা হয়েছে ‘মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে এ পুকুর ও স্টেশন এলাকার উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিম পাশের ২.৬৪ একর (১৬০ কাঠা) কৃষি জমি ও পুকুর দখলদার মালিক দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা’।

স্থানীয় সূত্র মতে, এই জায়গার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩২ কোটি টাকা। হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ আহমদ শফী হাটহাজারী মাদরাসার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের একটি সূত্র জানায়, জমি দেয়ার বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে হেফাজতকে জমি দেয়ার ব্যাপারে সরকারের উপর থেকে চাপ আছে। এই বিষয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই মামলা প্রত্যাহার ও জমি দেয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

অথচ এর আগে ২০১২ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি রেল মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব আশরাফুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিজমা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী আল্লামা শাহ আহমদ শফীর আবেদনটি বিবেচনা করার কোন সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে বিষয়টি আপনাকে অবহিত করা হলো।

এ বিষয়ে পূর্বাঞ্চল রেলের প্রধান ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা কামরুল আমিন আবেদন করার  সত্যতা তুলে ধরে বলেন, ‘শফী হুজুর বছর দুই এক আগে জায়গা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে তাকে লিজ দেয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোন ধরনের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় পুকুর-জমি সবই অবৈধভাবে দখল করে আছে হাটহাজারী মাদ্রাসার লোকজন।’

অন্যদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক বলেন, ‘হাটহাজারী মাদরাসার নামে ওই জায়গা বরাদ্দ আছে। এখন বিষয়টি তদারকের জন্য মাদরাসার একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একটি মহল হেফাজতের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা নানাভাবে হেফাজতের বদনাম করছে।’

সরকারের আস্থাভাজন হওয়ার পর এই জায়গা নিয়ে নমনীয়ভাব পোষণ করছে সরকার-এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আল্লামা শফীকে সরকার ভয় পায়। সরকারের সঙ্গে কোন ধরনের আঁতাত করছেন না তিনি। অনেকে বলেন শফী হুজুরের প্রতি সরকারের মনোভাব ঠাণ্ডা। আর তাই তিনি কোন কর্মসূচি দিচ্ছেন না। বিষয়টি সত্যি নয়। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। কোন প্রলোভনে গলবে না হেফাজত।’

‘সরকারের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। নেই কোন শত্রুতা। তারা আমাদের ভুল বুঝলে আমরা কষ্ট পাবো। এখানে ভুল বোঝাবুঝি হোক তা আমরা চাই না। ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।’ হেফাজতে ইসলামের প্রধান আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর এমন বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের লালদিঘীতে অনুষ্ঠিত দলের দু’দিন ব্যাপী রেসালত সম্মেলনে ভোল পাল্টে নিজেদের সঙ্গে সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে বলে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন এই নেতা।

অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে শ’ শ’ আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ তার বক্তব্য শুনে হতভম্ব হয়ে যান। তাদের মাঝে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/31170#sthash.uVZV

চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল- অবশেষে রেলওয়ের ৩২ কোটি টাকার জমি গিফট দেয়া হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা শফীকে। হাটহাজারী মাদরাসার নামে দু’বছর আগেই জায়গাটিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি আল্লামা শফীর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে সরকারের একটি পক্ষ জায়গাটি তার জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বশেষ রেলওয়ের জায়গাটি নিজেদের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন আল্লামা শফী।

সরজমিন হাটহাজারী মাদরাসার অদূরে স্টেশনের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে গিয়ে দেখা যায়, ৩০০-র বেশি খুঁটি দিয়ে রেলের ১৬০ কাঠা জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে হাটহাজারী মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তাতে লেখা হয়েছে ‘লিজ সূত্রে এ জমির দখলদার মালিক হাটহাজারী বড় মাদরাসা’।

অন্যদিকে রেলের মালিকানাধীন পুকুরে সাইনবোর্ডে লেখা হয়েছে ‘মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে এ পুকুর ও স্টেশন এলাকার উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিম পাশের ২.৬৪ একর (১৬০ কাঠা) কৃষি জমি ও পুকুর দখলদার মালিক দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা’।

স্থানীয় সূত্র মতে, এই জায়গার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩২ কোটি টাকা। হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ আহমদ শফী হাটহাজারী মাদরাসার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের একটি সূত্র জানায়, জমি দেয়ার বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে হেফাজতকে জমি দেয়ার ব্যাপারে সরকারের উপর থেকে চাপ আছে। এই বিষয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই মামলা প্রত্যাহার ও জমি দেয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

অথচ এর আগে ২০১২ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি রেল মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব আশরাফুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিজমা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী আল্লামা শাহ আহমদ শফীর আবেদনটি বিবেচনা করার কোন সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে বিষয়টি আপনাকে অবহিত করা হলো।

এ বিষয়ে পূর্বাঞ্চল রেলের প্রধান ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা কামরুল আমিন আবেদন করার  সত্যতা তুলে ধরে বলেন, ‘শফী হুজুর বছর দুই এক আগে জায়গা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে তাকে লিজ দেয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোন ধরনের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় পুকুর-জমি সবই অবৈধভাবে দখল করে আছে হাটহাজারী মাদ্রাসার লোকজন।’

অন্যদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক বলেন, ‘হাটহাজারী মাদরাসার নামে ওই জায়গা বরাদ্দ আছে। এখন বিষয়টি তদারকের জন্য মাদরাসার একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একটি মহল হেফাজতের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা নানাভাবে হেফাজতের বদনাম করছে।’

সরকারের আস্থাভাজন হওয়ার পর এই জায়গা নিয়ে নমনীয়ভাব পোষণ করছে সরকার-এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আল্লামা শফীকে সরকার ভয় পায়। সরকারের সঙ্গে কোন ধরনের আঁতাত করছেন না তিনি। অনেকে বলেন শফী হুজুরের প্রতি সরকারের মনোভাব ঠাণ্ডা। আর তাই তিনি কোন কর্মসূচি দিচ্ছেন না। বিষয়টি সত্যি নয়। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। কোন প্রলোভনে গলবে না হেফাজত।’

‘সরকারের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। নেই কোন শত্রুতা। তারা আমাদের ভুল বুঝলে আমরা কষ্ট পাবো। এখানে ভুল বোঝাবুঝি হোক তা আমরা চাই না। ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।’ হেফাজতে ইসলামের প্রধান আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর এমন বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের লালদিঘীতে অনুষ্ঠিত দলের দু’দিন ব্যাপী রেসালত সম্মেলনে ভোল পাল্টে নিজেদের সঙ্গে সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে বলে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন এই নেতা।

অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে শ’ শ’ আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ তার বক্তব্য শুনে হতভম্ব হয়ে যান। তাদের মাঝে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/31170#sthash.uVZ

চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল- অবশেষে রেলওয়ের ৩২ কোটি টাকার জমি গিফট দেয়া হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা শফীকে। হাটহাজারী মাদরাসার নামে দু’বছর আগেই জায়গাটিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি আল্লামা শফীর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে সরকারের একটি পক্ষ জায়গাটি তার জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বশেষ রেলওয়ের জায়গাটি নিজেদের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন আল্লামা শফী।

সরজমিন হাটহাজারী মাদরাসার অদূরে স্টেশনের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে গিয়ে দেখা যায়, ৩০০-র বেশি খুঁটি দিয়ে রেলের ১৬০ কাঠা জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে হাটহাজারী মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তাতে লেখা হয়েছে ‘লিজ সূত্রে এ জমির দখলদার মালিক হাটহাজারী বড় মাদরাসা’।

অন্যদিকে রেলের মালিকানাধীন পুকুরে সাইনবোর্ডে লেখা হয়েছে ‘মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে এ পুকুর ও স্টেশন এলাকার উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিম পাশের ২.৬৪ একর (১৬০ কাঠা) কৃষি জমি ও পুকুর দখলদার মালিক দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা’।

স্থানীয় সূত্র মতে, এই জায়গার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩২ কোটি টাকা। হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ আহমদ শফী হাটহাজারী মাদরাসার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের একটি সূত্র জানায়, জমি দেয়ার বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে হেফাজতকে জমি দেয়ার ব্যাপারে সরকারের উপর থেকে চাপ আছে। এই বিষয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই মামলা প্রত্যাহার ও জমি দেয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

অথচ এর আগে ২০১২ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি রেল মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব আশরাফুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিজমা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী আল্লামা শাহ আহমদ শফীর আবেদনটি বিবেচনা করার কোন সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে বিষয়টি আপনাকে অবহিত করা হলো।

এ বিষয়ে পূর্বাঞ্চল রেলের প্রধান ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা কামরুল আমিন আবেদন করার  সত্যতা তুলে ধরে বলেন, ‘শফী হুজুর বছর দুই এক আগে জায়গা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে তাকে লিজ দেয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোন ধরনের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় পুকুর-জমি সবই অবৈধভাবে দখল করে আছে হাটহাজারী মাদ্রাসার লোকজন।’

অন্যদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক বলেন, ‘হাটহাজারী মাদরাসার নামে ওই জায়গা বরাদ্দ আছে। এখন বিষয়টি তদারকের জন্য মাদরাসার একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একটি মহল হেফাজতের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা নানাভাবে হেফাজতের বদনাম করছে।’

সরকারের আস্থাভাজন হওয়ার পর এই জায়গা নিয়ে নমনীয়ভাব পোষণ করছে সরকার-এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আল্লামা শফীকে সরকার ভয় পায়। সরকারের সঙ্গে কোন ধরনের আঁতাত করছেন না তিনি। অনেকে বলেন শফী হুজুরের প্রতি সরকারের মনোভাব ঠাণ্ডা। আর তাই তিনি কোন কর্মসূচি দিচ্ছেন না। বিষয়টি সত্যি নয়। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। কোন প্রলোভনে গলবে না হেফাজত।’

‘সরকারের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। নেই কোন শত্রুতা। তারা আমাদের ভুল বুঝলে আমরা কষ্ট পাবো। এখানে ভুল বোঝাবুঝি হোক তা আমরা চাই না। ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।’ হেফাজতে ইসলামের প্রধান আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর এমন বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের লালদিঘীতে অনুষ্ঠিত দলের দু’দিন ব্যাপী রেসালত সম্মেলনে ভোল পাল্টে নিজেদের সঙ্গে সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে বলে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন এই নেতা।

অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে শ’ শ’ আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ তার বক্তব্য শুনে হতভম্ব হয়ে যান। তাদের মাঝে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/31170#sthash.uVZVFcyH.dpuf

চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল- অবশেষে রেলওয়ের ৩২ কোটি টাকার জমি গিফট দেয়া হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা শফীকে। হাটহাজারী মাদরাসার নামে দু’বছর আগেই জায়গাটিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি আল্লামা শফীর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে সরকারের একটি পক্ষ জায়গাটি তার জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বশেষ রেলওয়ের জায়গাটি নিজেদের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন আল্লামা শফী।

সরজমিন হাটহাজারী মাদরাসার অদূরে স্টেশনের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে গিয়ে দেখা যায়, ৩০০-র বেশি খুঁটি দিয়ে রেলের ১৬০ কাঠা জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে হাটহাজারী মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তাতে লেখা হয়েছে ‘লিজ সূত্রে এ জমির দখলদার মালিক হাটহাজারী বড় মাদরাসা’।

অন্যদিকে রেলের মালিকানাধীন পুকুরে সাইনবোর্ডে লেখা হয়েছে ‘মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে এ পুকুর ও স্টেশন এলাকার উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিম পাশের ২.৬৪ একর (১৬০ কাঠা) কৃষি জমি ও পুকুর দখলদার মালিক দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা’।

স্থানীয় সূত্র মতে, এই জায়গার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩২ কোটি টাকা। হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ আহমদ শফী হাটহাজারী মাদরাসার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের একটি সূত্র জানায়, জমি দেয়ার বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে হেফাজতকে জমি দেয়ার ব্যাপারে সরকারের উপর থেকে চাপ আছে। এই বিষয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই মামলা প্রত্যাহার ও জমি দেয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

অথচ এর আগে ২০১২ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি রেল মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব আশরাফুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিজমা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী আল্লামা শাহ আহমদ শফীর আবেদনটি বিবেচনা করার কোন সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে বিষয়টি আপনাকে অবহিত করা হলো।

এ বিষয়ে পূর্বাঞ্চল রেলের প্রধান ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা কামরুল আমিন আবেদন করার  সত্যতা তুলে ধরে বলেন, ‘শফী হুজুর বছর দুই এক আগে জায়গা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে তাকে লিজ দেয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোন ধরনের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় পুকুর-জমি সবই অবৈধভাবে দখল করে আছে হাটহাজারী মাদ্রাসার লোকজন।’

অন্যদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক বলেন, ‘হাটহাজারী মাদরাসার নামে ওই জায়গা বরাদ্দ আছে। এখন বিষয়টি তদারকের জন্য মাদরাসার একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একটি মহল হেফাজতের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা নানাভাবে হেফাজতের বদনাম করছে।’

সরকারের আস্থাভাজন হওয়ার পর এই জায়গা নিয়ে নমনীয়ভাব পোষণ করছে সরকার-এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আল্লামা শফীকে সরকার ভয় পায়। সরকারের সঙ্গে কোন ধরনের আঁতাত করছেন না তিনি। অনেকে বলেন শফী হুজুরের প্রতি সরকারের মনোভাব ঠাণ্ডা। আর তাই তিনি কোন কর্মসূচি দিচ্ছেন না। বিষয়টি সত্যি নয়। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। কোন প্রলোভনে গলবে না হেফাজত।’

‘সরকারের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। নেই কোন শত্রুতা। তারা আমাদের ভুল বুঝলে আমরা কষ্ট পাবো। এখানে ভুল বোঝাবুঝি হোক তা আমরা চাই না। ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।’ হেফাজতে ইসলামের প্রধান আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর এমন বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের লালদিঘীতে অনুষ্ঠিত দলের দু’দিন ব্যাপী রেসালত সম্মেলনে ভোল পাল্টে নিজেদের সঙ্গে সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে বলে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন এই নেতা।

অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে শ’ শ’ আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ তার বক্তব্য শুনে হতভম্ব হয়ে যান। তাদের মাঝে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/31170#sthash.uVZVFcyH.dpuf

চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল- অবশেষে রেলওয়ের ৩২ কোটি টাকার জমি গিফট দেয়া হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা শফীকে। হাটহাজারী মাদরাসার নামে দু’বছর আগেই জায়গাটিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি আল্লামা শফীর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে সরকারের একটি পক্ষ জায়গাটি তার জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বশেষ রেলওয়ের জায়গাটি নিজেদের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন আল্লামা শফী।

সরজমিন হাটহাজারী মাদরাসার অদূরে স্টেশনের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে গিয়ে দেখা যায়, ৩০০-র বেশি খুঁটি দিয়ে রেলের ১৬০ কাঠা জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে হাটহাজারী মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তাতে লেখা হয়েছে ‘লিজ সূত্রে এ জমির দখলদার মালিক হাটহাজারী বড় মাদরাসা’।

অন্যদিকে রেলের মালিকানাধীন পুকুরে সাইনবোর্ডে লেখা হয়েছে ‘মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে এ পুকুর ও স্টেশন এলাকার উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিম পাশের ২.৬৪ একর (১৬০ কাঠা) কৃষি জমি ও পুকুর দখলদার মালিক দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা’।

স্থানীয় সূত্র মতে, এই জায়গার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩২ কোটি টাকা। হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ আহমদ শফী হাটহাজারী মাদরাসার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের একটি সূত্র জানায়, জমি দেয়ার বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে হেফাজতকে জমি দেয়ার ব্যাপারে সরকারের উপর থেকে চাপ আছে। এই বিষয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই মামলা প্রত্যাহার ও জমি দেয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

অথচ এর আগে ২০১২ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি রেল মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব আশরাফুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিজমা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী আল্লামা শাহ আহমদ শফীর আবেদনটি বিবেচনা করার কোন সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে বিষয়টি আপনাকে অবহিত করা হলো।

এ বিষয়ে পূর্বাঞ্চল রেলের প্রধান ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা কামরুল আমিন আবেদন করার  সত্যতা তুলে ধরে বলেন, ‘শফী হুজুর বছর দুই এক আগে জায়গা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে তাকে লিজ দেয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোন ধরনের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় পুকুর-জমি সবই অবৈধভাবে দখল করে আছে হাটহাজারী মাদ্রাসার লোকজন।’

অন্যদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক বলেন, ‘হাটহাজারী মাদরাসার নামে ওই জায়গা বরাদ্দ আছে। এখন বিষয়টি তদারকের জন্য মাদরাসার একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একটি মহল হেফাজতের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা নানাভাবে হেফাজতের বদনাম করছে।’

সরকারের আস্থাভাজন হওয়ার পর এই জায়গা নিয়ে নমনীয়ভাব পোষণ করছে সরকার-এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আল্লামা শফীকে সরকার ভয় পায়। সরকারের সঙ্গে কোন ধরনের আঁতাত করছেন না তিনি। অনেকে বলেন শফী হুজুরের প্রতি সরকারের মনোভাব ঠাণ্ডা। আর তাই তিনি কোন কর্মসূচি দিচ্ছেন না। বিষয়টি সত্যি নয়। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। কোন প্রলোভনে গলবে না হেফাজত।’

‘সরকারের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। নেই কোন শত্রুতা। তারা আমাদের ভুল বুঝলে আমরা কষ্ট পাবো। এখানে ভুল বোঝাবুঝি হোক তা আমরা চাই না। ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।’ হেফাজতে ইসলামের প্রধান আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর এমন বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের লালদিঘীতে অনুষ্ঠিত দলের দু’দিন ব্যাপী রেসালত সম্মেলনে ভোল পাল্টে নিজেদের সঙ্গে সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে বলে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন এই নেতা।

অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে শ’ শ’ আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ তার বক্তব্য শুনে হতভম্ব হয়ে যান। তাদের মাঝে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/31170#sthash.uVZVFcyH.dpuf

চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল- অবশেষে রেলওয়ের ৩২ কোটি টাকার জমি গিফট দেয়া হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা শফীকে। হাটহাজারী মাদরাসার নামে দু’বছর আগেই জায়গাটিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি আল্লামা শফীর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে সরকারের একটি পক্ষ জায়গাটি তার জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বশেষ রেলওয়ের জায়গাটি নিজেদের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন আল্লামা শফী।

সরজমিন হাটহাজারী মাদরাসার অদূরে স্টেশনের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে গিয়ে দেখা যায়, ৩০০-র বেশি খুঁটি দিয়ে রেলের ১৬০ কাঠা জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে হাটহাজারী মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তাতে লেখা হয়েছে ‘লিজ সূত্রে এ জমির দখলদার মালিক হাটহাজারী বড় মাদরাসা’।

অন্যদিকে রেলের মালিকানাধীন পুকুরে সাইনবোর্ডে লেখা হয়েছে ‘মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে এ পুকুর ও স্টেশন এলাকার উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিম পাশের ২.৬৪ একর (১৬০ কাঠা) কৃষি জমি ও পুকুর দখলদার মালিক দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা’।

স্থানীয় সূত্র মতে, এই জায়গার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩২ কোটি টাকা। হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ আহমদ শফী হাটহাজারী মাদরাসার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের একটি সূত্র জানায়, জমি দেয়ার বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে হেফাজতকে জমি দেয়ার ব্যাপারে সরকারের উপর থেকে চাপ আছে। এই বিষয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই মামলা প্রত্যাহার ও জমি দেয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

অথচ এর আগে ২০১২ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি রেল মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব আশরাফুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিজমা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী আল্লামা শাহ আহমদ শফীর আবেদনটি বিবেচনা করার কোন সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে বিষয়টি আপনাকে অবহিত করা হলো।

এ বিষয়ে পূর্বাঞ্চল রেলের প্রধান ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা কামরুল আমিন আবেদন করার  সত্যতা তুলে ধরে বলেন, ‘শফী হুজুর বছর দুই এক আগে জায়গা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে তাকে লিজ দেয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোন ধরনের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় পুকুর-জমি সবই অবৈধভাবে দখল করে আছে হাটহাজারী মাদ্রাসার লোকজন।’

অন্যদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক বলেন, ‘হাটহাজারী মাদরাসার নামে ওই জায়গা বরাদ্দ আছে। এখন বিষয়টি তদারকের জন্য মাদরাসার একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একটি মহল হেফাজতের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা নানাভাবে হেফাজতের বদনাম করছে।’

সরকারের আস্থাভাজন হওয়ার পর এই জায়গা নিয়ে নমনীয়ভাব পোষণ করছে সরকার-এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আল্লামা শফীকে সরকার ভয় পায়। সরকারের সঙ্গে কোন ধরনের আঁতাত করছেন না তিনি। অনেকে বলেন শফী হুজুরের প্রতি সরকারের মনোভাব ঠাণ্ডা। আর তাই তিনি কোন কর্মসূচি দিচ্ছেন না। বিষয়টি সত্যি নয়। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। কোন প্রলোভনে গলবে না হেফাজত।’

‘সরকারের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। নেই কোন শত্রুতা। তারা আমাদের ভুল বুঝলে আমরা কষ্ট পাবো। এখানে ভুল বোঝাবুঝি হোক তা আমরা চাই না। ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।’ হেফাজতে ইসলামের প্রধান আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর এমন বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের লালদিঘীতে অনুষ্ঠিত দলের দু’দিন ব্যাপী রেসালত সম্মেলনে ভোল পাল্টে নিজেদের সঙ্গে সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে বলে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন এই নেতা।

অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে শ’ শ’ আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ তার বক্তব্য শুনে হতভম্ব হয়ে যান। তাদের মাঝে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/31170#sthash.uVZVFcyH.dpuf

পাঠকের মন্তব্য